কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ এ ১১:১৯ AM
কন্টেন্ট: নোটিশ প্রকাশের তারিখ: ০৪-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০৪-০৮-২০৩০
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
পরিবেশ অধিদপ্তর
পরিবেশ ভবন, ই/১৬,
আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকা
শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
www.doe.gov.bd
স্মারক নম্বর: ২২.০২.০০০০.০১২.৫৪.০০৪.২৬.১০৬ তারিখ: ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ / ০৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ
সর্বসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, শব্দদূষণ মানব স্বাস্থ্য এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। সরকার জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫ জারি করেছে। বিধিমালায় এলাকা ভিত্তিক শব্দের মানমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৪০ ডেসিবল এবং শিল্প এলাকায় সর্বোচ্চ শব্দমাত্রা ৭৫ ডেসিবল। উল্লিখিত বিধিমালার আলোকে নিম্নবর্ণিত বিধি-নিষেধ অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হলোঃ
(ক) উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী কোনো যন্ত্রপাতি বা কর্মকাণ্ড বিধিমালায় উল্লিখিত শব্দের সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রম করবে না;
(খ) কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ব্যতীত পাবলিক প্লেসে বা জনপরিসরে উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলেও তা শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবল, সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টার অধিক ও রাত্রিকাল ১১:০০ ঘটিকা অতিক্রম করবে না;
(গ) বিধিমালায় উল্লিখিত সর্বোচ্চ মানমাত্রা অতিক্রমকারী কোনো ধরনের হর্ন প্রস্তুত, আমদানি, মজুদ, বিক্রয়, প্রদর্শন, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার করা যাবে না;
(ঘ) নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষেধ এবং পটকা, আতশবাজিসহ কোন ধরণের শব্দদূষণ করা যাবে না;
(ঙ) আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা হতে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো নিষেধ;
(চ) প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বনভোজন নিষিদ্ধ এবং উচ্চ শব্দ উৎপন্ন করে এমন শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না;
(ছ) আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা হতে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা হতে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার বা পরিচালনা করা যাবে না;
(জ) ট্রাফিক সার্জেন্ট বা তদূর্ধ্ব কর্মকর্তার সম্মুখে কোনো শব্দদূষণ হলে উক্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলেই শাস্তি প্রদান করতে পারবেন মর্মে বিধিমালায় ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
ড. মো: লুৎফর রহমান
মহাপরিচালক